২০২৬/২৭ মৌসুমের সেরি আ-র ষষ্ঠ রাউন্ডে নিজেদের মাঠে কোমো ০-০ গোলে রোমার সঙ্গে ড্র করেছে। প্রথমার্ধে পেলেগ্রিনির শট পোস্টে লাগে, দ্বিতীয়ার্ধে মালেন লাল কার্ড দেখায় রোমাকে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয়। এরপর প্রধান রেফারিও চোট পান, ফলে ম্যাচের মাঝেই প্রধান রেফারি বদল করতে হয়। চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত রোমা অপরাজিত রয়েছে।

images/01.png

গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা

৫৪’ বল কাড়তে গিয়ে দুই পা শূন্যে তুলে প্রতিপক্ষকে জোরে লাথি মারেন মালেন, সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন

সাধারণ ঘটনা

৬’ বক্সের ভেতরে অরক্ষিত অবস্থায় দিবালা শট নেন, কিন্তু গোলরক্ষক সরাসরি বল ধরে ফেলেন

৭’ পাস দ্রুত এগিয়ে গিয়ে গোলরক্ষককে একা পেয়ে যান, গোলরক্ষক প্রাণপণে বেরিয়ে এসে বিপদ সামলান

১১’ পেলেগ্রিনি বড় বক্সের সামনে থেকে শট নেন, বল পোস্টে লেগে গোললাইনের বাইরে চলে যায়

২৩’ কাকেরে বক্সের ভেতর থেকে নিচু শট নেন, বল সামান্য বাইরে দিয়ে যায়

২৫’ মালেন গোলরক্ষককে কাটিয়ে ভালো সুযোগ তৈরি করেন, কিন্তু গোলরক্ষকের সামনে বল বাইরে মারেন

২৬’ দে ইয়ং দ্রুত এগিয়ে গিয়ে গোলরক্ষককে একা পান, গোলরক্ষক প্রাণপণে বক্স থেকে বেরিয়ে এসে বল ক্লিয়ার করেন

৩১’ কেকি বলের পড়ার জায়গা ধরে হেডে গোলমুখে শট নেন, গোলরক্ষক সরাসরি বল ধরে ফেলেন

৩৩’ কাকেরে দ্রুত এগিয়ে গিয়ে গোলরক্ষককে একা পান, গোলরক্ষক সময়মতো বেরিয়ে এসে বল ধরে ফেলেন

৩৫’ পেলেগ্রিনি হেডের লড়াইয়ে অনেক উঁচুতে লাফিয়ে ওঠেন, কিন্তু মাটিতে জোরে আছড়ে পড়েন

৪৩’ দিবালা মাটিতে পড়ে গেলে প্রতিপক্ষ তাঁর হাতে পা দিয়ে মাড়িয়ে দেন, তিনি যন্ত্রণায় মাটিতে পড়ে থাকেন

৪৫+২’ দিয়াওকে একা গোলের দিকে যাওয়ার সময় পেছন থেকে ফেলে দেওয়া হয়, রেফারি কোনো সিদ্ধান্ত না দেওয়ায় স্বাগতিক দলের কোচ ও খেলোয়াড়েরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন

৪৫+২’ হলুদ কার্ড-আ. দিয়াও (কোমো) রেফারির সিদ্ধান্তে আপত্তি

৪৭’ পাস বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শট নেন, গোলরক্ষক সরাসরি বল ধরে ফেলেন

৪৬’ হলুদ কার্ড-দে ইয়ং (রোমা) ফাউল

৫৭’ পেরোনে বক্সের ভেতরে অরক্ষিত অবস্থায় শট নেন, বল সরাসরি বারের ওপর দিয়ে যায়

৬০’ দুভিকাস দ্রুত এগিয়ে গিয়ে জোরালো শট নেন, বল বারের ওপর দিয়ে যায়

৫৭’ হলুদ কার্ড-কোনে (রোমা) ফাউল

৬২’ হলুদ কার্ড-সুলে (রোমা) রেফারির সিদ্ধান্তে আপত্তি

৬৮’ বিরল ঘটনা! প্রধান রেফারি চোট পান, মাঠেই প্রধান রেফারি বদল করা হয়

৭৩’ পাস বড় বক্সের সামনে থেকে দূরপাল্লার শট নেন, গোলরক্ষক প্রাণপণে ঝাঁপিয়ে বল ফিরিয়ে দেন

৭৭’ পাস দ্রুত এগিয়ে গিয়ে গোলরক্ষককে একা পান, কিন্তু গোলরক্ষক বেরিয়ে এসে বল কেড়ে নেন

৮৮’ কোমো গোলমুখে বল পাঠায়, রামোন এগিয়ে গিয়ে হেড করতে চাইলেও বলের নাগাল পাননি

প্রযুক্তিগত পরিসংখ্যান

খেলোয়াড় তালিকা

কোমোর শুরুর একাদশ: ১-বুতেজ, ৯৯-চালোবা, ২৭-ইয়ানকুতো (৮৮’ ২-কেম্পফ), ১৬-কেকি, ৪-রামোন, ৭-দা কুনহা (৭৮’ ২০-বাতুরিনা), ৮-কাকেরে (৬৬’ ১৭-রদ্রিগেস), ১০-পাস, ৫-পেরোনে (৮৮’ ৬-মিরা), ১১-আ. দিয়াও (৮৮’ ৪২-আদ্দাই), ৯-দুভিকাস

কোমোর বদলি খেলোয়াড়: ২২-ভিগোরিতো, ৯৭-সানচেস, ২-কেম্পফ, ১৮-গোলদানিগা, ১৩-দোসেনা, ২৮-স্মলচিচ, ৩-ভাল্লে, ৫৩-কাম্বোয়ারা, ৬-মিরা, ২১-রিচি, ২০-বাতুরিনা, ৩০-লিবেরালি, ১৫-লাহদো, ৪২-আদ্দাই, ১৭-রদ্রিগেস

রোমার শুরুর একাদশ: ৯৫-গোল্লিনি, ২২-এরমোসো (৬০’ ২৬-বালেরদি), ২৩-মানচিনি, ৫-এনদিকা, ১৫-দে ইয়ং, ২১-দিবালা (৮৯’ ৭৭-লুলি), ৭-পেলেগ্রিনি (৪৬’ ১৮-সুলে), ২০-মোলিনা (৮২’ ২-রেনশ), ১৭-কোনে (৮৯’ ৬১-পিসিল্লি), ৪৩-ওয়েসলি, ১৪-মালেন

রোমার বদলি খেলোয়াড়: ৩২-ভাসকেস, ৭০-মাৎসি, ২৬-বালেরদি, ২-রেনশ, ৮৭-গিলার্দি, ৭৭-লুলি, ৬১-পিসিল্লি, ৮৬-মোরা, ১৮-সুলে, ৯-কাস্ত্রো